শিরোনাম
ইসলামের আলো লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলামের আলো লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০১৬

ওহে মুসলমান দাঁড়াও তুমিসাথে নিয়ে যাও কুরআন খানি

ওহে মুসলমান দাঁড়াও তুমি সাথে নিয়ে যাও কুরআন খানি। ঘোর আধারের বিপদ চানিতে,পথ চলিতে কি পারবে তুমি। এই পৃথিবীতে তুমি দেখ যতই বিধান, দিতে পেরেছে কি শান্তির সমাধান। কেবলই কুরআন দিতে পারে মুক্তির সমাধান, এই কুরআনকে পালন কর যদি।

সোমবার, ২০ জুন, ২০১৬

সেহরিতে খাবেন না যে সকল খাবার

রোজা রাখতে তাই সেহরি ও ইফতারির জন্য নানা জোগাড় করেছেন সবাই। আবার অনেকেই অনেক কিছু বেছে বেছে খেয়ে থাকেন। কেউ ভাবে রোজার দিনে সারাদিন কিছু খাওয়া হবে না তাই প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি খান। তাই চলুন রোজায় সারাদিন সুস্থ থাকতে সেহরীতে কি কি খাবেন না তা দেখে নেয়া যাক-
১. ডিম : ডিম অনেক পুষ্টিকর একটি খাবার যেটি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন পূরণ করে থাকে। কিন্তু রোজার রাতের সেহরিতে এই ডিমের কোনো রান্না তরকারি একেবারে খাবেন না। কেননা ডিম খেলে আপনার পেটে গ্যাস তৈরি হতে পারে যা সারাদিনই ডিমের গন্ধযুক্ত ঢেকুরের সৃষ্টি করবে। ফলে আপনি রোজা রেখে অস্বস্তি বোধ করবেন। অসুস্থ হয়ে যাবেন। তাছাড়া হুট করে ব্লাড প্রেসারও বেড়ে যেতে পারে।
২. ডাল : আমাদের দেশে ভাতের সাথে ডাল থাকবেই। কিন্তু সেহরির রাতে কখনই ডাল জাতীয় খাবার খাবেন না। বিশেষ করে ডালভুনা, মুগ বা বুটের ডাল। খেতে চাইলে মসুর ডাল পাতলা করে খান। কেননা ডাল খালি পেটে প্রচুর গ্যাস তৈরি করে। ফলে আপনি সারাদিন পেটের ব্যথা অনুভব করবেন এবং অসুস্থ হয়ে যাবেন।
৩. তেলযুক্ত খাবার : সেহরিতে কখনই অধিক তেলযুক্ত কোনো খাবার খাবেন না। পোলাও, বিরিয়ানি, ডালের বড়া বা অন্য ভাজাভুজি এড়িয়ে চলুন। এতে বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়া সহ নানান ধরণের সমস্যা দেখা দেবে,
৪. খিচুরি : খিচুরি অত্যন্ত গরম একটি খাবার যা শরীরকে গরম করে তোলে। অনেকের আবার পেটের সমস্যাও তৈরি করে। তাই সেহরির রাতে কখনই এই গরম খাবারটি খাবেন না। কেননা এটি আপনার পেট খারাপ করে দিতে পারে এছাড়া অতিরিক্ত গরমের কারণে আপনি শারীরিকভাবে অসুস্থও হয়ে যেতে পারেন।
৫. কোল্ড ড্রিংকস : কোল্ড ড্রিংকস আসলে অতিরিক্ত চিনি আর মিষ্টি ছাড়া কিছুই নয়। তাই সেহরিতে কখনই কোল্ড ড্রিংকস খাবেন না। এতে করে অযথা শরীরের বাজে কিছু পদার্থ ছাড়া আর কিছুই ঢোকানো হয় না। সারাদিন বাজে ধরনের ঢেকুরে আপনি অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। সাথে কোল্ড ড্রিঙ্কস দেহকে পানিশুন্য করে ফেলে।
৬. লেবু : খালিপেটে লেবু অত্যন্ত অ্যাসিডিটি করে। তাই সেহরিতে লেবু খাবেন না। তা না হলে আপনার কষ্ট করে রাখা রোজাটি মাকরুহ হয়ে যেতে পারে বাজে ধরনের অ্যাসিডিটির কারণে।

গর্ভবতী মায়েদের রোজা পালন

রোজা রাখা নিয়ে সন্তান সম্ভবা নারীরা হয়ে পড়েছেন চিন্তিত। তবে চিন্তার কিছু নেই। গর্ভবর্তী নারীরাও রোজা রাখতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মেডিকেল চেকআপ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছেন এ্যাপোলো হাসপাতালের পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী।
তামান্না চৌধুরী বলেন, গর্ভবতী মায়েদের রোজা থাকতে কোনো সমস্যা নেই। তবে সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। রোজার আগে ডাক্তারের কাছ গিয়ে চেকআপ করানোটা খুব জরুরি।
তিনি আরো বলেন, গর্ভবতী মায়েরা যেহেতু সারাদিন কিছু খেতে পারবেন না তাই সেহরিতে পুষ্টি জাতীয় খাদ্য বেশি খেতে হবে। খাবারে রাখতে হবে দুধের প্রাধান্য।
সাথে প্রোটিন যেমন ডিম, মাছ, মাংস পরিমাণ মতো খেতে হবে। কারণ একজন সাধারণ মানুষের তুলনায় গর্ভবতী মায়ের পুষ্টির প্রয়োজন বেশি। এক্ষেত্রে গর্ভবতী মায়েরা রোজার আগে ডাক্তারের কাছ থেকে রোজার আগে ও পরের সময়ের খাদ্য তালিকা নিয়ে নিতে পারেন। এতে করে মা ও বাচ্চা দু’জনই সুস্থ থাকবেন।
ইসলামী শরিয়া মতে, গর্ভবতী মা ও গর্ভের শিশুর কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা থাকলে, বা কোনো ক্ষতির সম্ভাবনা হলে সেই মায়ের রোজা না রাখলেও চলবে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০১৬

রমজানে যে দোয়া পড়লে ৪০ বছরের গুনাহ মাফ হবে

পবিত্র রমজান মাসে হলো ত্যাগের মাস। অর্থ্যাত এ মাসে সকল খারাপ কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখা যায়। এই মাসটি ক্ষমা পাওয়ার মাস, এই মাসটি অশেষ সওয়াব হাসিলের মাস। এই মাসেই পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। এই মাসেই এমন রাত আছে যে রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। ফলে মুসলিম উম্মাহর জন্য এই মাসের গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না।
যে ব্যক্তি রমযানের প্রতিটি রাতে নিম্নোক্ত দোয়া পড়বে তার চল্লিশ বছরের গুনাহ মাফ করা হবে :
اَللَّهُمَّ رَبَّ شَهْرِ رَمَضَانَ الَّذِيْ أَنْزَلْتَ فِيْهِ الْقُرْآنَ و اقْتَرَضْتَ عَلَى عِبَادِكَ فِيْهِ الصِّيَامَ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ وَ ارْزُقْنِيْ حَجَّ بَيْتِكَ الْحَرَامِ فِيْ عَامِيْ هَذَا وَ فِيْ كُلِّ عَامٍ وَ اغْفِرْلِيْ تِلْكَ الذُّنُوْبَ الْعِظَامَ فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُهَا غَيْرُكَ يَا رَحْمَانُ يَا عَلَّامُ
অর্থ: হে আল্লাহ্‌! হে রমযান মাসের প্রভু! যে মাসে তুমি পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ করেছ এবং এ মাসে তুমি তোমার বান্দাদের ওপর রোজা ফরজ করেছ। হে আল্লাহ্‌! হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ও তাঁর বংশধরদের ওপর সালাম ও দরূদ প্রেরণ কর।
এ বছর এবং প্রতি বছর তোমার পবিত্র ঘর কাবায় হজ্ব করার তৌফিক দান করো। আমার সকল বড় পাপ ক্ষমা করে দাও। কেননা, তুমি ছাড়া আর কেউই পাপ ক্ষমা করতে পারে না। হে দয়ালু ও সর্বজ্ঞানী!

তারাবির নামাজ কত রাকাত ? জাকির নায়েকের উত্তর

নিউজ ডেস্ক: জাকির নায়েককে প্রশ্ন করা হয়েছিল তারাবির নামাজ ঠিক কত রাকাত ? ৮ নাকি ২০। জবাবে তিনি বলেছিলেন,
এক ব্যাক্তি মহানবীর কাছে জিজ্ঞাসা করলো, ‘কিয়ামুল লাইল’ কিভাবে পড়বো ? তিনি বল্লেন,এটা ২ রাকাত করে পড়া উচিত। যেমন ২ রাকাত,তারপর ২ রাকাত, তারপর ২ রাকাত এবং সূর্য যখন উদিত হবার সময় হয়েআসবে ,তখন ১ রাকাত’।
এভাবে যতখুশী তত পড়া যাবে। তবে আমরা যদি মহানবীর দিকে দেখি,
তাহলে হাদীসে এসেছে, “আয়েশা(রাঃ)-কে রাসুল(সঃ)-এর রমযানের তারাবি নামাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ(সঃ) রমযান মাসে যখন কিয়ামুল লাইল বা তারাবীর নামাজ আদায় করতেন, তখন ১১ রাকাত আদায় করতেন এবঙ এর বেশী করতেন না।অন্য মাসে ৮ রাকা’আত ‘কিয়ামুল লাইল’ এবং ৩ রাকাত বিতরের নামাজ আদায় করতেন। বুখারী-তাহাজ্জুদ-১১৪৭
অনেক হাদীস আছে, যেখানে বলা হয়েছে, নবী করিম(সঃ) ১১ রাক’আত(৮+৩) ‘কিয়ামুল লাইল’ আদায় করতেন।তবে যদি সাহাবী,সালফে সালেহীন ও তাবেয়ীনদের দেখি, তাহলে তারা ১১,১৩,১৯,২৩ ও ৩৯ এধরনের আদায় করতেন। আরেকটা হাদিসে আছে, “তাবেয়ীনরা রমযানের রাতে ২০ রাক’আত তারাবীহ আদায় করতেন। অন্যত্র বলা হয়েছে, তারা ৩৬ রাকাত আদায় করতেন। কিন্তু নবী করিম(সঃ) ১১ রাকাত আদায় করতেন।তবে তিনি ২+২+২+ এভাবেও আদায় করতে বলেছেন। মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা-পৃষ্ঠা-১৫৬,১৬৬।

ভিডিওটির লিঙ্ক: https://www.youtube.com/watch?v=kpVDQebX5cQ&feature=youtu.be

রমজানে ১ লক্ষ নেকি পাওয়ার উপায়

বিশেষ গুরুত্ববহ পবিত্র মাস ‘রজব’। এ মাসের কথা বহু রেওয়ায়েত বর্ণিত হয়েছে। মহানবী (স.) বলেছেন, “রজব মাস হচ্ছে মহান আল্লাহর কাছে অত্যন্ত গুরুত্ববহ একটি মাস, ফজিলতের দিক থেকে কোনো মাস এর সমপর্যায়ের নয়। এ মাসে কাফেরদের সঙ্গেও যুদ্ধ করা হারাম। রজব মাস আল্লাহর মাস, শাবান মাস আমার মাস এবং রমজান মাস হচ্ছে আমার উম্মতের মাস। যে ব্যক্তি রজব মাসের একটি দিন রোজা রাখে, মহান আল্লাহ্ তার উপর সন্তুষ্ট হন, তার প্রতি মহান আল্লাহর ক্রোধ দূর হয়ে যায় এবং জাহান্নামের একটি দরজা তার জন্য বন্ধ হয়ে যায়।”
আল্লাহর নবী (স.) হতে বর্ণিত হয়েছে : ‘যে ব্যক্তি রজব মাসে এক হাজার বার ((لا إله إلا الله)) [লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্] বলবে, মহান আল্লাহ্ তাকে ১ লক্ষ নেকি দান করবেন এবং তার জন্য বেহেশতে ১ শত শহর নির্মাণ করবেন। (সংগৃহীত)

রোজার প্রধান ৪টি স্বাস্থ্যকর উপকারিতা

পবিত্র মাহে রমজান মহান আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীনের এক অপূর্ব নিয়ামত। রোজা শুধু পাপমুক্তি ও মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে আসার মাধ্যম নয়, রোজাদারগণের রয়েছে নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর উপকারিতা বা হেলথ বেনিফিট। এ ব্যাপারে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) রোজা সম্পর্কে বলেছেন, ‘সোমোওয়া তাশহু’।
যার ইংরেজি অনুবাদ করা হয়েছে ‘ফাস্ট এন্ড বি হেলদি’ অর্থ্যাত্ রোজা থাকলে স্বাস্থ্য থাকে ভাল। আর এর অর্থ অনেক গভীরে। অর্থ্যাত্ এখানে বুঝানো হয়েছে রোজা হচ্ছে সুস্থ থাকার নিয়ামক। এমনকি গবেষকগণ নানা গবেষণায় দেখেছেন রোজার নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর দিক রয়েছে। এ ব্যাপারে ‘ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অন হেলথ এন্ড রামাদান’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রোজার স্বাস্থ্যকর দিক নিয়ে অন্তত: ৫০টি নিবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।
তবে ইসলামিক বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন যে সব অসুস্থতায় রোজা পালন থেকে বিরত থাকার বিধান রয়েছে এসব ক্ষেত্র ছাড়া রোজা থাকলে উপকারিতা অধিক। রোজার যে চারটি প্রধান উপকারিতার কথা বলা হয়েছে তা হচ্ছে, মন ও হৃদয়ের পরিশুদ্ধতা, রক্তের চর্বির পরিমাণ হ্রাস, মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকা এবং অতিরিক্ত ওজন হ্রাস। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর পূর্বে রোজার যে হেলথ বেনিফিট সম্পর্কে যা বলে গেছেন আজকের বিজ্ঞান তার নিরঙ্কুুশ সত্যতা খুঁজে পাচ্ছে।
এনালস অব নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, রোজাদারগণ বেশীরভাগ ক্ষেত্রে সাধারণত: বাসায় প্রস্তুত হেলদি ও পুষ্টিকর খাবার আহার করেন। এতে থাকে খেজুর, বাদাম, ছোলা, স্যুপসহ অন্যান্য উপাদেয় খাবার। গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে রোজাদারগণের এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল শতকরা ৮ ভাগ, রক্তের ভাসমান চর্বি বা ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ শতকরা ৩০ ভাগ হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, রোজা থাকলে রক্তের ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল এর পরিমাণ শতকরা ১৪ দশমিক ৪ ভাগ বৃদ্ধি পায়। ফলে অন্যান্য সময়ের চেয়ে রোজাদারগণের হার্ট এ্যাটাক ও হূদরোগের ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত কম থাকে।

লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
 
সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ বাংলা তরঙ্গ ডিজাইন বাংলা তরঙ্গ