শিরোনাম
বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০১৬

অনন্ত জলিলের দিন শেষ ফেসবুক মাত হিরো আলমে!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গত দুই দিনের সবচেয়ে চর্চিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো হিরো আলম। ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে আলমের ভিডিও ও ছবি।  ফেসবুকের বিভিন্ন পেইজে যেখানে আগে অনন্ত জলিল নিয়ে ট্রল হত সেখানে এখন স্থান পেয়েছে হিরো আলম। আবার এই ট্রলগুলো ব্যাপক পরিমানে শেয়ারও হচ্ছে। স্থান পাচ্ছে ফেসবুক ওয়ালে ওয়ালে। তবে কি অনন্ত জলিলের দিন শেষ! কে এই হিরো আলম?
সিডি বিক্রি করতেন আশরাফুল আলম। সেটা বেশ আগের ঘটনা। সিডি যখন চলছিল না তখনই মাথায় আসে ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসার। ভাবলেন নিজ গ্রামেই সেটা করবেন, এবং করে ফেললেন। বগুড়ার এরুলিয়া ইউনিয়নের এরুলিয়া গ্রামেই শুরু হয় আলমের ডিশ ব্যবসা।
ছোটবেলা থেকেই অভাব-অনটনের সাথে চলা আলমের পরিবার তাকে আরেক পরিবারের হাতে তুলে দেয়। আলম চলে আসেন একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের বাসায়। আব্দুর রাজ্জাক তাকে ছেলের মতো করেই বড় করে তোলেন। স্নেহ করতেন। কিন্তু গ্রামে অভাব তো প্রায় মানুষের আছে। আলমের পালক পিতা আব্দুর রাজ্জাকের সংসারও অভাবের ছোঁয়া পায়। স্থানীয় স্কুলে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে আলমকে নেমে পড়তে হলো জীবিকা নির্বাহের তাগিদে। সিডি বিক্রি থেকে আলম ডিশ ব্যবসায় হাত দিয়ে সফলতা অর্জন করেন। তার মাসে আয় ৭০-৮০ হাজার টাকা। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে সুখেই আছেন আলম।
আলম বলেন, ''আমি আমার গ্রামের সবার ভালোবাসা পেয়েছি। এই ভালোবাসা আমাকে নিজের হাতে করে খেয়ে বাঁচতে শিখিয়েছে। এখন আমার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে আল্লাহর রহমতে সুখেই আছি।"
সিডির ব্যবসা করতেন আলম। ক্যাসেটে দেখতেন মডেলদের ছবি। সেই থেকে মাথায় ঢোকে মডেল হওয়ার। ২০০৮ সালেই করে ফেলেন একটা গানের সাথে মডেলিং। সেটাই ছিল শুরু। এরপরে সেসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে সংসারে মনোযোগী হন। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন পাশের গ্রামের সুমী নামের এক তরুণীকে। আলম সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়লেও সুমী পড়েছেন এসএসসি পর্যন্ত। তাদের সংসারে আসে নতুন দুই অতিথি। নিজের নামের সাথে মিলিয়ে রাখেন সন্তানদের নাম। পুত্র আবির ও কন্যা আলো। এখন সংসার আর ব্যবসা নিয়েই ব্যস্ত আলম। পাশাপাশি নিজে কিছু মিউজিক ভিডিও করেন। সেগুলো নিজের ক্যাবল চ্যানেলেই প্রচার করেন। গ্রামের মানুষরাও তাকে বাহবা দেয়। আলম উৎসাহ পান।
আলম বলেন, আমার মডেল হওয়ার ইচ্ছে ছিল আগে। যখন সিডি বিক্রি করতাম। আমি জানি না এসব ইচ্ছে পূরণ হয় কি না, তবে লেগে ছিলাম। হয়েছে। অনেকে বলে বাজে হয়েছে আমি কান দেই না। অনেকে আবার বলে ভালোই হয়েছে। আমি গ্রামের ছেলে মন যা চায় করি। মানুষের কথায় কান দেওয়ার ইচ্ছে নেই।
বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক আলম সম্পর্কে বলেন, ''আলম ছেলে খারাপ না। কষ্ট করে বড় হয়েছে আলম। সে গান গাইতে পারে না, নাচতেও পারে না। তবে তার মডেলিং এর শখ আছে এটা জানি।''
এরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বলেন, ''আলম সম্পর্কে জানি সে ডিশ ব্যবসা করে। নির্বাচনও করে। দুইবার দাঁড়িয়েছিল। হেরে গেছে। তবে এলাকার মানুষজন তাকে পছন্দ করে। নির্বাচনে এবার সে দ্বিতীয় হয়েছে। ছেলে হিসেবে খারাপ না, তবে শুনছি মডেলিং-এর দিকে তার ঝোঁক।''
আশরাফুল আলম নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, ''আমি এবার মাত্র ৭০ ভোটে হেরেছি। এর আগেরবারও হেরেছি অল্প ভোটে। তবে এলাকার মানুষের ভালোবাসার জন্য আমি আরেকবার নির্বাচন করবো। আমি বলেছিলাম আর দাঁড়াবো না, কিন্তু ভালোবাসার জন্য পরেরবার আরেকবার দাঁড়াবো।''
মডেলিং সম্পর্কে আলম বলেন, ''আমার ভিডিওগুলো ফেসবুক, ইউটিউবে ছড়িয়ে যাওয়ায় এখন অনেকেই আমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যে দুটি মিউজিক ভিডিও করার জন্য রাজি হয়েছি। আজ রাতে ঢাকা যাচ্ছি।'' কার সাথে, কিসের মিউজিক ভিডিও এমন প্রশ্নের জবাবে আলম জানান, 'কুসুম কুসুম প্রেম' ছবির সজলের সাথে কাজ করার কথা। ''সজল ভাই আমাদের বগুড়ার ছেলে।''
Video Link: https://youtu.be/5NR1XnEye18

সোমবার, ২৭ জুন, ২০১৬

ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি ঈদ স্পেশাল: দেখে নিন কি কি থাকছে

স্টুডিওর চার দেয়াল থেকে টিভি অনুষ্ঠানকে বের করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে ইত্যাদি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি প্রায় দুই যুগ ধরে বিদেশী নাগরিকদের দিয়ে আমাদের লোকজ সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে নিয়মিতভাবে তুলে ধরছে। শুরুর দিকে বিষয়টি ১০-১২ জন বিদেশীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে শতকের ঘরে পৌঁছেছে। আর এদের মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। আমাদের এখানে অনেকেই যখন মিডিয়াতে ‘বাংলিশ’ উচ্চারণে পরাশ্রয়ী সংস্কৃতির জোয়ারে গা ভাসিয়ে দিচ্ছে। বিভিন্ন মাধ্যমে যখন আমাদের ভাষার বিকৃতি এবং আমাদের লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ খেলাধুলাগুলোর বিকৃতি চলছে, সে সময় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হানিফ সংকেত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিদেশী নাগরিকদের দিয়ে করেন দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা। আর এ জন্য তিনি তাদের নিয়ে যান প্রত্যন্ত অঞ্চলে। বিদেশীদের দিয়ে তাদের ভাষায় অর্থাৎ ‘ইংরেজি’-এর বদলে বাংলা ভাষায় গ্রামের সহজ সরল মানুষের চরিত্রে অভিনয় করিয়ে তুলে ধরেন আমাদের লোকজ সংস্কৃতি।
এ ছাড়াও গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী লাঠিলেখা, হা-ডু-ডু, ফুটবল, ডাংগুলি, বাঁশের সাঁকো হাতল ছাড়া পার হওয়া, নদীতে সাঁতার কাটা, দ্রুত গাছে ওঠা এসব গ্রামীণ খেলা যেমন বিদেশীদের দিয়ে দেখানো হয়েছে, তেমনি আমাদের সংস্কৃতি, লোক কাহিনী, চলচ্চিত্র ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বিদেশীদের দিয়ে ইতঃপূর্বে নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন পর্ব। শুধু এসব বিষয়ই নয়, বিদেশীদের নিয়ে আমাদের সাধারণ মানুষের মধ্যে একধরনের বিচিত্র অনুভূতি কাজ করে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে। এদের আচার-আচরণ, সংস্কৃতি সব কিছুই আমাদের চাইতে ভিন্ন। সেই মানুষদেরই যখন গ্রামের সহজ-সরল, সাধারণ মানুষ তাদের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখেন তখন তারাও একাত্ম হয়ে যান বিদেশীদের সাথে। ইত্যাদির চরিত্রানুযায়ী বিদেশীদের দিয়ে করানো নানান ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটে চমৎকার একটি মেসেজের মাধ্যমে। বিদেশী হয়েও তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব এসব খেলা এবং অভিনয়ে যখন তারা অংশগ্রহণ করেন তখন দর্শকেরা যেমন বিস্মিত হন, তেমনি আনন্দও পান, পাশাপাশি অনুপ্রাণীত হন। বিদেশীরা মনে করেন, এটি তাদের জীবনে একটি নতুন অভিজ্ঞতা ও আনন্দ।
প্রতি বছর দর্শকেরা যেমন এই পর্বটির জন্য অপেক্ষায় থাকেন, তেমনি ঢাকায় বসবাসরত বিদেশীরাও অপেক্ষা করতে থাকেন, কখন তাদের ডাক পড়বে ইত্যাদি থেকে। শুধু তাই নয়, ঢাকার বিদেশী পাড়ায় ইত্যাদি একটি জনপ্রিয় নাম। বছরের এই সময়টাতে বিদেশীদের ছুটি থাকে বলে তাদের পাওয়া খুবই কঠিন। তার পরও অনেকেই ‘ইত্যাদি’তে অংশগ্রহণ করার জন্য ছুটি ভোগ করেন না। তাদের প্রিয় এই অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণ করার জন্য নিজেরাই তৈরি করেন ইত্যাদি বিদেশী টিম-২০১৬।
উল্লেখ্য, প্রতি বছরই এ ধরনের টিম গঠিত হয়। প্রতি বছরের মতো যথারীতি এবারো বিদেশীদের নিয়ে ইত্যাদিতে রয়েছে ব্যাপক আয়োজন। এবারের পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন পৃথিবীর নানা দেশের ৮২ জন বিদেশী নাগরিক। এদের মধ্যে নৃত্যে অংশগ্রহণ করেছেন ৪০ জন এবং বাকিরা অভিনয়ে। এবারের বিষয় বাল্যবিবাহ। হানিফ সংকেতের নির্দেশনায় অল্প ক’দিনের মহড়ায় বাংলায় বিভিন্ন সংলাপ আয়ত্ত করে এই বিদেশীরা এবারো চমৎকার অভিনয় করেছেন।
হানিফ সংকেত বলেন, আসলেই মাত্র কয়েক দিনের পরিচয়ে কয়েক দিনের মেলামেশায় বিদেশীদের সাথে যে আত্মীক বন্ধন হয় তা কখনোই ভোলার নয়। ফ্রান্সের নাগরিক ইগোর বলেন, ‘ইত্যাদির শুটিংয়ে এসে মনে হচ্ছে পিকনিকে এসেছি।’
ডাচ্ নাগরিক নেইলস বলেন, ‘আমি গত বছরও অভিনয় করেছি। এ বছরও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’ ফ্রান্সের মাইরিয়াম বলেন, ‘ইত্যাদি টিম খুবই ভালো ও অর্গানাইজড। আমি ইত্যাদিকে ভালোবাসি।’
ডাচ নাগরিক মাইকেল ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলেন, ‘আমরা ইত্যাদি পরিবারের সদস্য।’
কানাডার মোনজা বলেন, ‘অনেক গরম। তার পরও হানিফ সংকেতের ইত্যাদির কাজ করতে কোনো ক্লান্তি আসে না। হানিফ সংকেতকে ধন্যবাদ।’ পর্তুগালের পেড্রো বলেন, ‘বাংলাদেশে অবস্থানকালে এটাই আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দঘন মুহূর্ত, অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।’
বিদেশীদের সাথে কাজ করতে গিয়ে অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাইলে হানিফ সংকেত বলেন, ‘এরা অপেশাদার। তবে অনেক পেশাদার শিল্পীরও এদের কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। বিশেষ করে তাদের সময়জ্ঞান, নিষ্ঠা, একাগ্রতা, কষ্টসহিষ্ণুতা, আন্তরিকতা দেখে আমি মুগ্ধ। যেহেতু দর্শকেরা এ পর্বটি অনেক পছন্দ করেন, তাই আমরাও অনেক যত্ন নিয়ে এ পর্বটি করতে চেষ্টা করি। আশা করি, প্রতি বছরের মতো এবারো এ পর্বটি দর্শকদের অনেক আনন্দ দেবে।
ইত্যাদি প্রচারিত হবে ঈদের পরদিন রাত ১০টা ১০ মিনিটে, বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে। ‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন এবং স্পন্সর করেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।

মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০১৬

ঢাকায় ফিরে কথা রাখলেন শ্রাবন্তী

গত মার্চে ঢাকায় ‘শিকারী’ ছবির মহরত অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মত হাজির হয়েছিলেন টালিগঞ্জের এভারগ্রিন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী। সে সময় মিডিয়াকর্মীদের বলেছিলেন, আবার তিনি ঢাকায় আসবেন। ঠিক কথা মত কলকাতা থেকে আবার ঢাকায় উড়ে এলেন তিনি।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় একটি ফ্লাইটে করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নামেন শ্রাবন্তী। তার ঢাকায় আসার প্রধান কারণ আসছে ঈদে বিগ বাজেট ছবি ‘শিকারী’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে। আর সে কারণেই বাংলাদেশের কোন সিনেমায় প্রথমবার অভিনয় করা এ নায়িকা দু’দিন সিনেমার প্রচারণার জন্য ঢাকায় ব্যস্ত সময় পার করবেন।
শ্রাবন্তী এ দু’দিনে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সিনেমা শিকারী’র বিভিন্ন দিক নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করবেন। তাছাড়া কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলে’র ঈদের বিশেষ কিছু অনুষ্ঠানে ছবির নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে থাকবেন। এমনটি জানিয়েছেন ছবিটির প্রযোজনা সংস্থা জাজ মাল্টিমিডিয়া।
ছবির প্রমোশনের কাজ শেষ করে আগামী ২৩ জুন সকালে তিনি কলকাতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন। তবে এ সফরেও তিনি নিজের গ্রামের বাড়ি বরিশালে যেতে পারছেন না।
 
সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ বাংলা তরঙ্গ ডিজাইন বাংলা তরঙ্গ